ঢাকা - সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯ : ৪ আশ্বিন, ১৪২৬

ব্যাংকগুলোকে সুদ কমানোর নির্দেশ মানতে হবে: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯ ১০:৫১
৪৩ বার পঠিত

ঋণের ওপর জ্যামিতিক হারে সুদ আরোপের সংস্কৃতি (কালচার) থেকে ব্যাংকগুলোকে বেরিয়ে আসতে হবে। সুদ কমানোর ব্যাপারে সরকার যেভাবে নির্দেশ দেবে ব্যাংকগুলোকে তা মেনে চলতে হবে। যদি মেনে না চলে তাহলে ব্যাংকগুলোকে একত্রীকরণ (মার্জার) করা হবে।

বুধবার ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন।

বৈঠক শেষে অর্থনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে অর্থমন্ত্রী আলোচনা করেন এবং প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণ করে বলা হয়, ঋণের ওপর সুদ আরোপের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো কমপোনেন্ট সুদ থেকে বের হতে চাচ্ছে না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কেন চাইবে না। ব্যাংক অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকার যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবে চলতে হবে। যদি না চলে তাহলে ব্যাংকগুলোকে মার্জার করে দেয়া হবে। সরকার ব্যাংকের অনুমতি দিতে পারে, আবার তা ফেরতও নিতে পারে। সরকারের হুকুম না মেনে দেশে কোনো প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে কিনা পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটি হতেই পারে না। একটা ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ঋণ পুনঃতফসিলসংক্রান্ত বিষয় আদালতে বিচারাধীন। আমি এ বিষয়ে কথা বলব না। আশা করি এটি শিগগিরই শেষ হবে। তবে সেখানে কয়েকটি উপকরণ আছে। বিশেষ করে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিট করা হবে। কমপোনেন্ট সুদ হার করা হবে না। ব্যবসায়ীরা যাতে ভালোভাবে চলতে পারেন এ জন্য সিঙ্গেল ডিজিট সুদ করা হবে। ব্যাংকগুলোকে বহুবার বলা হয়েছে। তারা সুদের হার নির্ধারণ করে ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ। একাধিক ব্যক্তি এ অভিযোগ নিয়ে এসেছেন আমার কাছে। সুদহার নিয়ে সাংবাদিকদের জানা দরকার। এর ভেতরে যাওয়া দরকার।

উদাহরণ টেনে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনি ১০ বছরের জন্য ব্যাংক থেকে ১০০ টাকা ঋণ নেবেন। মেয়াদ শেষে সুদসহ ১৫০ টাকা ফেরত দেবেন। কিন্তু ১৫০ টাকা ফেরত দেয়ার পরও আপনার কাছে ২০০ টাকা পাবে ব্যাংক। এটি জীবনেও শোধ হয় না। শোধ না হওয়ার কারণ হল আপনি কিস্তি পরিশোধ করতে গেলে সে টাকা দিয়ে সুদ সমন্বয় করা হয়। সুদ শেষ হয় না, ঋণও শেষ হয় না। এসব নিয়ে আমাদের আগেই কাজ করা দরকার ছিল।



মন্তব্য