ঢাকা - সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯ : ৪ আশ্বিন, ১৪২৬

ছড়িয়ে পড়েছে ভয়ংকর সুপারবাগ

নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ২৭, ২০১৯ ১৬:২৩
৫৩ বার পঠিত

হাসপাতালে থাকা অণুজীবের মধ্যে এখন বিশ্বের সবচেয়ে আতঙ্কজনক নামগুলোর মধ্যে একটি ক্যানডিডা অরিস। বিশ্বজুড়ে এই ছত্রাকের আক্রমণে মহামারী দেখা দেয়ার উপক্রম হয়েছে। এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণেই বাড়ছে এর সংক্রমণের হার।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র সিডিসি বলছে, এর ঝুঁকি কমাতে হলে এই ছত্রাকের সংক্রমণের শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কারা রয়েছে, তা আগে জানতে হবে। এ নিয়ে গবেষণা চলছে। সাধারণ ছত্রাকের মতো মুখ ও গলায় ক্ষত তৈরি করে এটি।

২০০৯ সালে জাপানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর কানের ভেতর প্রথম পাওয়া যায় এই ছত্রাক। বেশির ভাগ সময় ক্যানডিডা ছত্রাক মানুষের ত্বকে কোনো ধরনের ক্ষতি না করেই বসবাস করে।

তবে কেউ অসুস্থ হলে বা সংবেদনশীল কোনো স্থান যেমন রক্তস্রোত কিংবা ফুসফুসে চলে গেলে এটি সংক্রমণ তৈরি করতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি রক্তপ্রবাহে সংক্রমণ তৈরি করে। এছাড়া শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবস্থা, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গ ও ত্বকে সংক্রমণ তৈরি করতে পারে।

এর সংক্রমণ বেশ মারাত্মক। সারা বিশ্বে এর সংক্রমণে আক্রান্তদের ৬০ ভাগই মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ছত্রাক সাধারণত ওষুধ প্রতিরোধী হওয়ায় এর সংক্রমণ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় চিনতে না পারায় ভুল চিকিৎসাও হয়।

কেউ দীর্ঘ সময় ধরে হাসপাতালে বা চিকিৎসার কারণে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে, তাহলে তার এই সুপারবাগে আক্রান্তের শঙ্কা বেড়ে যায়।

বিবিসি বাংলা



মন্তব্য