ঢাকা - ডিসেম্বর ১২, ২০১৯ : ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬

ডেঙ্গু থেকে বাঁচার কৌশল

নিউজ ডেস্ক
জুলাই ৩০, ২০১৯ ১৯:২৯
৫২০ বার পঠিত

সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ব্যপকভাবে বেড়ে গেছে। ডেঙ্গুর প্রধান বাহক এডিস মশা। তাই এই মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে পারলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। বর্ষা এলেই বাড়ে এডিস মশার উৎপাত। ডেঙ্গু বেড়ে যাওয়ায় ঢাকাসহ সারাদেশের মানুষ আতঙ্কে ভুগছে। আতঙ্কিত না হয়ে আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়:

এডিস মশা কেমন দেখতে?

প্রথমে জেনে নেয়া যাক এডিস মশা সম্পর্কে। এডিস মশার পায়ে সাদা-কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে। পেনসিলের সঙ্গে লাগানো রবারের মতো ছোট থাকে এগুলোর আকার। এডিস মশা দিনে কামড়ায়। তার মানে বাড়িতে আপনি মশারির ভেতরে বসে নিরাপদ থাকলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে চা খাওয়ার সময় কিংবা ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে বাসের সিটে বসে অপেক্ষা করার সময়ও এডিস মশার কামড়াতে পারে।

কোথায় ডিম পাড়ে?

কোথাও জমে থাকা পরিষ্কার পানি দেখতে পেলেই ডিম পাড়ে এডিস মশা। সেটা ফেলে রাখা বোতলের ছোট্ট ঢাকনাও হতে পারে, আবার অব্যবহৃত সুইমিং পুলের পানিও হতে পারে। জায়গা ছোট নাকি বড়, তা নিয়ে এডিস মশার মাথা ব্যথা নেই।

মশার কামড় থেকে বাঁচতে করণীয়:

এডিস মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য সর্বপ্রথম কোথাও পানি জমতে দেয়া যাবে না । ঘরের বাথরুমের বালতি, ফুলের টব বা অন্য কোথাও পানি জমতে দেয়া যাবে না। মশা যেহেতু অনুমতি নিয়ে ঘরে ঢোকে না, তাই বাইরের মশাও প্রবেশ করতে পারে। এজন্য রাস্তাতেও ডাবের খোসা বা অন্য কিছুতে পানি জমে থাকতে দেখলে নিজে দায়িত্ব নিয়ে ফেলে দেয়ার ব্যবস্থা করুন।

মশারি টানিয়ে ঘুমান

মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। কারণ রাতে এডিস মশা না কামড়ালেও ভোর থেকে কামড়ানো শুরু করে। বাড়ির জানালাগুলোতে নেট ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে মশা ঘরে ঢুকতে পারবে না। বাড়িতে মশা না থাকলেও বাইরে মশা কামড়াতে পারে। তাই ভালো মানের মসকুইটো রিপিলেন্ট ব্যবহার করুন।

তেল ব্যবহার

প্রাকৃতিক মসকুইটো রিপিলেন্ট হিসেবে নিম তেল, ইউক্যালিপটাস তেল, লেমন গ্রাসের তেল অথবা খাঁটি নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এগুলোর গন্ধে প্রায় ২/৩ ঘণ্টা পর্যন্ত মশা শরীরে বসে না।

মশা দূর করতে গাছ লাগান

ঘরে বিশেষ কিছু গাছ রাখলেও মশা থাকে না। সেগুলোর মধ্যে লেমন গ্রাস, পুদিনা, বেসিল, ল্যাভেন্ডার, রসুন গাছ, রোজমেরি এবং গাঁদা ফুল গাছ অন্যতম।



মন্তব্য