ঢাকা - জুলাই ২৩, ২০১৯ : ৮ শ্রাবণ, ১৪২৬

মনিবকে মেরে ফেললো কুকুর

নিউজ ডেস্ক
জুলাই ১২, ২০১৯ ১৮:১৮
৭৪ বার পঠিত

ফ্রেডি ম্যাক (৫৭)। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা তিনি। এই লোকটার এক জোড়া জুতো ছাড়া এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। পুরাই উধাও! কেবল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে কয়েকটা হাড়। সেগুলোও যেন চিবিয়ে রাখা হয়েছে। ম্যাকের পোষা ১৮ টি হিংস্র কুকুরের হাবভাবও একটু অন্যরকম। তবে কি এই কুকুরদের পেটেই গেছেন তাদের মালিক? তদন্ত নেমে শিউরে উঠেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

গত মে মাস থেকে নিখোঁজ ছিলেন ফ্রেডি ম্যাক। টেক্সাসের ভেনাসে নিজের বিরাট অ্যাপার্টমেন্টে একাই থাকতেন তিনি। সঙ্গী বলতে ছিল ১৮টি কুকুর। হিংস্র সেই কুকুরদের ভয়ে আত্মীয়রাও ম্যাকের বাড়ির ছায়া মারাতেন না। তিনিই গিয়ে সকলের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করে আসতেন। দীর্ঘ একমাস ম্যাকের খোঁজ না পেয়ে পুলিশে খবর দিয়েছিলেন তার আত্মীয়েরা। এরপরেই তদন্তে নামে পুলিশ।

জনসন কাউন্টির শেরিফ অ্যাডাম কিং জানান, ভেনাস ও তার আশপাশের এলাকায় কোনও খোঁজ মেলেনি ম্যাকের। শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন ম্যাক। বাড়িতে কুকুরদের সঙ্গে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করতেন তিনি। সন্দেহটা দানা বাঁধে সেখান থেকেই।

অ্যাডাম কিং বলছেন, ম্যাকের বাড়িতে ঢুকতে গেলেই বাধা দিচ্ছিল কুকুরগুলো। গোটা বাড়িটা ঘিরে রেখেছিল তারা। তাই প্রথমে ড্রোন উড়িয়ে ভেতরের অবস্থা নজর রাখছিলাম আমরা। ড্রোন নামিয়েই দেখি বাড়ির কয়েকটি জায়গায় পড়ে রয়েছে চাবানো এবং ভাঙাচোরা হাড়। ব্যাপারটা মোটামুটি আন্দাজ করে কুকুরদের প্রথমে বাড়ি থেকে সরানো হয়। পরে দেখি, কুকুরদের মলে রয়েছে মানুষের চুল, জামার ছেঁড়া অংশ।

শেরিফ অ্যাডাম কিং বলেন, যে জামার অংশ মিলেছে, এমন জামা ম্যাকই পড়তেন। কুকুরের মল আর হাড়ের টুকরো ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ম্যাকের ঘটনাটি এ যাবতকালের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি। মেডিক্যাল টেস্টের রিপোর্টও বলছে, হাড়ের টুকরো গুলোর সঙ্গে ম্যাকের ডিএনএ ম্যাচ করেছে। বাকি পরীক্ষা এখনও চলছে।

সূত্র: দ্য ওয়াল



মন্তব্য