ঢাকা - নভেম্বর ২২, ২০১৯ : ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬

কটুকথা বলা স্বাস্থ্যকর!

নিউজ ডেস্ক
জুলাই ১০, ২০১৯ ০৯:১৮
১১৫ বার পঠিত

জীবনে গালিগালাজ করেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। বিরক্তি কিংবা হতাশা, যা-ই প্রকাশ করতে চাই না কেন, এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় গালি দেয়া কথাবার্তার একটা অংশ হয়ে দাঁড়ায়। অবশ্য সমাজে এটাকে ভালো আচরণ হিসেবে মেনে নেয়া হয় না। কিন্তু সম্প্রতি ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী উলানা সুপরুন বললেন, এ ধরনের শব্দ ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। কারণ এরূপ শব্দের ব্যবহার দুটি মানুষের মধ্যে দৃঢ় সুসম্পর্ক এবং ভালো মানসিক যোগাযোগ নিশ্চিত করে। গণমাধ্যমে জনগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে গালিগালাজ করা বন্ধ করতে এমপি ওলহা বোহোমোলেটসের আনা প্রস্তাবিত নতুন আইনের প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়, টেলিভিশন এবং ভাষণে কেউ গালিগালাজ করলে তার বিরুদ্ধে এক হাজার ২৭৫ ইউক্রেনীয় রিভনিয়াস (৩৯ পাউন্ড) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। কিন্তু ডা: সুপরুনের মতে, বিশেষ পরিস্থিতিতে ভর্ৎসনা করা যেতে পারে। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গালিগালাজে ব্যবহৃত শব্দগুলো দিয়ে ওই মানুষগুলোর একে অন্যের ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের মধ্যে ভালো মানসিক যোগাযোগ রয়েছে বলে বোঝা যায়। তিনি বলেন, মানুষের বিশ্রী ভাষা ব্যবহারের চেয়ে বরং আগ্রাসী মনোভাব দূর করতে কাজ করা উচিত। এ বিষয়ে তার দেয়া ফেসবুক পোস্টে ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ রিঅ্যাক্ট করেছে। এই পোস্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় কমেন্ট দুই হাজার ৭০০ জন লাইক দিয়েছে।

যদিও নতুন আইনটিতে জনপ্রিয় ব্যক্তিদের সম্পর্কেই বলা হয়েছে, তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এটি কিভাবে তাদের জীবন পাল্টে দিতে পারে তা নিয়ে মজা করেছেন। ইয়েবহেন হালাহান বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, গালিগালাজ বিরোধী আইন পাস হলে বাসিন্দারা ইউক্রেনের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা নিয়ে কিভাবে কথা বলবে। সাংবাদিক ইয়েভহেন মুডঝাইরি বলেন, অফিসে গালির কক্ষ স্থাপন করা যেতে পারে। রেস্টুরেন্টে ধূমপায়ী ও অধূমপায়ীদের জন্য আলাদা জায়গার মতোই গালিগালাজের জন্যও আলাদা জায়গা করা যেতে পারে। বর্তমানে ইউক্রেনের সংসদীয় কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে এই আইন।



মন্তব্য