ঢাকা - সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ : ৬ আশ্বিন, ১৪২৬

নিরাপদতম দেশ সিঙ্গাপুর

নিউজ ডেস্ক
জুন ০৮, ২০১৯ ০৭:৩৬
১৭৭ বার পঠিত

বিশ্বের ১৭৫টি দেশকে পেছনে ফেলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুর টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিশুদের জন্য নিরাপদতম দেশের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দি অ্যান্ড অব চাইল্ডহুড ইনডেক্সের মোট ১ হাজার পয়েন্টে সিঙ্গাপুর পেয়েছে ৯৮৯ পয়েন্ট।

সেভ দ্য চিলড্রেনের শিশুদের ওপর পরিচালিত জরিপে শিশুমৃত্যু, পুষ্টিহীনতা, শিক্ষার সুযোগ, শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, কিশোরী গর্ভধারণ, সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুতি ও শিশুহত্যা- এ আটটি ক্যাটাগরিকে সূচক হিসেবে ধরা হয়েছিল।

সিঙ্গাপুরের জাতীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির ২০১৭ সালে জীবিত প্রতি এক হাজার শিশুর বিপরীতে মারা গেছে মাত্র ২ দশমিক ৮ শিশু। এদিকে ২০১৬ সালে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু-কিশোরদের মধ্যে প্রতি এক লাখে শিশুহত্যা হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ১ জন।

শিশুদের জন্য নিরাপদ শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশসহ এশিয়ার আরেকটি দেশ দক্ষিণ কোরিয়াও রয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, দেশটির স্কুল থেকে ঝরে পড়ার হার মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশ, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম।

সিঙ্গাপুরের চিলড্রেনস সোসাইটির প্রধান নির্বাহী আলফ্রেড তান জানিয়েছেন, সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনটি একেবারে বেইস লাইন ও মৌলিক বৈশিষ্ট্যের আলোকে করা হয়েছে। এ কর্মকর্তা শিশুদের জন্য দিনে দিনে ভয়ংকর হয়ে ওঠা অনলাইনকেন্দ্রিক যৌন বীভৎসতা ও সাইবার গুজবের কথা উল্লেখ করে বলেন, শিশুদের সার্বিক মঙ্গল বয়ে আনতে আগামীতে আমরা অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করতে পারব।

প্রসঙ্গত, গত বছর স্লোভেনিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম হয়েছিল সিঙ্গাপুর। গ্লোবাল চাইল্ডহুড রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বে এখনো প্রতি চার শিশুর মধ্যে একজন অনিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শৈশবহীনভাবে বেড়ে ওঠে।

প্রতিবেদনটিতে যদিও ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১৭৩টি দেশে শিশুদের অবস্থা ২০০০ সালের তুলনায় সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তুলনামূলকভাবে ভালো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, একটি ক্যাটাগরি ছাড়া বাকি সাতটি ক্যাটাগরির প্রতিটিতে শিশুদের অবস্থা ২০০০ সালের তুলনায় ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে তুলনামূলকভাবে ভালো হয়েছে।

সংঘর্ষজনিত কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়ার বিষয়টি এখনো শিশুদের নিরাপদভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধা বলে গণ্য করা হয়। সেভ দ্য চিলড্রেনের ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০০০ সালের তুলনায় বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৩ কোটি ৫ লাখে দাঁড়িয়েছে।



মন্তব্য