ঢাকা - জুলাই ২৩, ২০১৯ : ৮ শ্রাবণ, ১৪২৬

নিউমোনিয়ায় দেশে প্রতি ঘণ্টায় মারা যায় ২ জন শিশু

নিউজ ডেস্ক
মে ৩০, ২০১৯ ১১:২২
৫৫ বার পঠিত

দেশে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতি ঘণ্টায় দুটি শিশুর মৃত্যু ঘটছে বলে জানা গেছে আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের এক প্রতিবেদন থেকে। তবে গত ২০ বছরে দক্ষিণ এশিয়ায় চারটি দেশের তুলনামূলক চিত্রে বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার ৬৩ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন। বাংলাদেশের পরে ভুটানের শিশুমৃত্যুর হার কমেছে ৬০ শতাংশ, নেপালে ৫৯ শতাংশ এবং ভারতের ৫৭ শতাংশ।

আগামী ১ জুন আন্তর্জাতিক শিশু দিবস সামনে রেখে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গ্লোবাল চাইল্ডহুড রিপোর্ট ২০১৯’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. ইশতিয়াক মান্নান বলেন, ‘২০০০ সাল থেকে বিশ্বের প্রতিটি দেশে শিশুমৃত্যু হ্রাসে যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। আর দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ এর অন্যতম। তা সত্ত্বেও ডাব্লিউএইচও গ্লোবাল হেলথ অবজারভেটরির মতে, বাংলাদেশে এখনো নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতি ঘণ্টায় দুটি শিশুর মৃত্যু ঘটে, যা উদ্বেগজনক।’

তিনি আরো বলেন, ‘অস্বাস্থ্য ও অপুষ্টি থেকে শুরু করে শিক্ষার অভাব, শিশুমৃত্যু ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শিশুর জীবন বিকাশে বাংলাদেশের বিশাল অগ্রগতিকে অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে। ২০ বছর আগের তুলনায় বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বাস্থ্যবান, সুখী, শিক্ষিত ও সুরক্ষিত হয়ে বেড়ে ওঠার সুযোগ অনেক বেশি। দেশের সব শিশুর সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য মারাত্মক শিশু রোগের বিরুদ্ধে কাজও করে যাচ্ছে। সরকারের রুটিন ইপিআই সিস্টেমে সফলভাবে নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন অন্তর্ভুক্ত করছে সেভ দ্য চিলড্রেন এবং তার সহযোগী সংস্থাগুলো। তবে এ নিয়ে আরো কাজ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গ্লোবাল চাইল্ডহুড রিপোর্টের চাইল্ডহুড ইনডেক্সের তথ্যে দেখা যায়, ২০০০ সাল থেকে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১৭৩টি দেশে শিশুদের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটেছে। তবে ‘চাইল্ডহুড এন্ডার’ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সংঘাত-সংঘর্ষের কারণে শিশুদের স্থানচ্যুতি বা জীবন বিপন্ন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ২০০০ সালের তুলনায় ৩০.৫ শতাংশ বেশি মানুষকে জোরপূর্বক স্থানচ্যুত করা হয়েছে, যার বৃদ্ধির হার ৮০ শতাংশ।



মন্তব্য