ঢাকা - মে ২০, ২০১৯ : ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন!

নিউজ ডেস্ক
মে ১৫, ২০১৯ ১২:৪১
৩৭১ বার পঠিত

প্রেমিক ও এক বন্ধুর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে স্বামীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিম বঙ্গের হাওড়ার সাঁকরাইলের আড়গোড়ি গ্রামে।

মৃত স্বামীর নাম তারক দাস (২৬)। তারককে খুনের অভিযোগে তাঁর স্ত্রী জ্যোতি দাস ও স্ত্রীর বন্ধু সনাতন ভুইঁয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শম্ভু ভুঁইয়া নামে একজনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। শম্ভুই তারকের স্ত্রীর প্রেমিক বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাঁকরাইলের ঝোড়হাটের মেয়ে জ্যোতির সঙ্গে তারকের বছর চারেক আগে বিয়ে হয়। পেশায় দর্জি তারক বাড়িতে বসেই কাজ করতেন। দিঘার বাসিন্দা শম্ভু আন্দুল স্টেশনের কাছে একটি হোটেল চালাত। স্বামীর সঙ্গে সেই হোটেলে মাঝেমধ্যেই খেতে যেত জ্যোতি। সেখানেই তার আলাপ হয় শম্ভুর সঙ্গে।

মাস চারেক আগে শম্ভুর সঙ্গে ঘর ছাড়ে জ্যোতি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জিঞ্জিরাবাজারে দু’জনে একসঙ্গে থাকতে শুরু করে। এই সময়ই তাদের সঙ্গে আলাপ হয় সনাতনের। সনাতন হাওড়া স্টেশনে কেক ও বিস্কুট বিক্রি করে। সে-ও দিঘার বাসিন্দা। জিঞ্জিরাবাজার থেকে শম্ভুর সঙ্গে দিঘায় তার বাড়িতে চলে যায় জ্যোতি। সঙ্গে যায় সনাতনও। এইসময়ই একদিন তারক খবর পেয়ে দিঘা যান জ্যোতিকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে। ওই সময়ে শম্ভুর সঙ্গে তাঁর বচসা, মারামারি হয় বলেও পুলিশ জানতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য জ্যোতিকে নিয়েই বাড়ি ফেরেন তারক।

পুলিশ জানিয়েছে, তারকের সঙ্গে বাড়ি ফিরে এলেও শম্ভু এবং সনাতনের সঙ্গে জ্যোতির নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। শম্ভুর সঙ্গেই সংসার করার জন্য মনস্থির করেছিল জ্যোতি। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় তারক। এই কারণেই জ্যোতি ও শম্ভু মিলে তারককে খুন করার পরিকল্পনা করে। এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত হয় সনাতনও।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা



মন্তব্য