ঢাকা - মে ২০, ২০১৯ : ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬

বহু আগেই হামলাকারীদের ব্যাপারে সতর্ক করেছিল মুসলমানরা

নিউজ ডেস্ক
এপ্রিল ২৫, ২০১৯ ১০:৫২
২৫০ বার পঠিত

রোববারের হামলার অন্যতম সন্দেহভাজন উগ্রপন্থী নেতা জাহরান হাশেমের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে বহু বছর ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন শ্রীলঙ্কার মুসলমানরা। তারা দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাকেও এ ব্যাপারে বারবার সতর্ক করেছিলেন। মঙ্গলবার প্রকাশ করা এক ভিডিওতে হামলার দায় নিয়েছে আইএস। এতে হাশেমের সেই পরিচিত উগ্র মুখটি দেখা গেছে। ফুটেজে আইএস নেতা আবুবকর আল বাগদাদির আনুগত্য প্রকাশ করে আটজনকে শপথ নিতে দেখা গেছে, যাদের মধ্যে কেবল হাশেমের গোলাকার মুখটিই খোলা ছিল। বাকিরা মুখ ঢেকে আনুগত্যের শপথ নেন। মাথা কালো কাপড়ে ঢাকা রাইফেল বহনকারী হাশেম অন্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। বাকিরাও তার মতো কালো পোশাক পরলেও তাদের মুখমণ্ডল ছিল সম্পূর্ণ ঢাকা।

শ্রীলঙ্কার সরকার ইতোমধ্যে হামলার জন্য পরোক্ষভাবে হাশেমকে দায়ী করেছে। অবশেষে হাশেমকে শনাক্ত করা হয়েছে। যদিও তার নাম ভুলভাবে হাশমি বলে উচ্চারণ করা হয়েছে। তবে হামলার আগে ভার্চুয়াল জগতে তিনি তেমন কোনো পরিচিত মুখ ছিলেন না। এমনকি শ্রীলঙ্কার ভেতরেও তার পরিচিতি ছিল সামান্য। ইউটিউব ও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কয়েক হাজার ফলোয়ার রয়েছে। এতে তিনি উত্তেজনাপূর্ণ বক্তৃতা ও উপদেশ দেন। একটি বক্তৃতায় তাকে অমুসলিমদের বিরুদ্ধে ভর্ৎসনাপূর্ণ বক্তব্য রাখতে শোনা যায়। তার পেছনে একটি ফটোশপে তৈরি করা আগুনের পতাকা।

শ্রীলঙ্কার মুসলিম কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিলমি আহমদ বলেন, তিন বছর আগেই হাশেম সম্পর্কে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। হাশেম তরুণদের উগ্রপন্থার দীক্ষা দিচ্ছিলেন জানিয়ে হিলমি বলেন, কিন্তু সে যে এত বড় হামলা চালাতে সক্ষম হবে তা কেউ ভাবতে পারেনি। মোহাম্মদ জাহরান ও মৌলভি হাশেম নামে পরিচিত ছিলেন ৪০ বছর বয়সী ওই ধর্মীয় নেতা।

এএফপি



মন্তব্য