ঢাকা - ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০ : ৮ ফাল্গুন, ১৪২৬

ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে হত্যাকাণ্ডে ফেসবুক-টুইটার কি অংশীদার!

নিউজ ডেস্ক
মার্চ ১৭, ২০১৯ ০৯:২৪
২৮১ বার পঠিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টুইটারে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দু’টি মসজিদে শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের লাইভ সম্প্রচার হওয়ায় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এ ঘটনায় ৪৯ জন মুসল্লিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হামলাকারীদের একজন তার হেলমেটে থাকা ভিডিওর মাধ্যমে ১৭ মিনিট ধরে ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার করে। অন্য দিকে একটি টুইটার অ্যাকাউন্টে হামলার যৌক্তিকতা প্রচার করা হয়। বিশ্বের শত শত কোটি ব্যবহারী এসব যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে।

পরে ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম থেকে এই ভিডিওগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য সোস্যাল মিডিয়ার এই প্লাটফরমগুলো চেষ্টা চালায়; কিন্তু তার পর তা সামাজিক অন্যান্য মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন এ হামলাকে নজিরবিহীন ও ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন। এ ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী ‘নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলোর একটি’ বলে মন্তব্য করেছেন।

টুইটারের একজন মুখপাত্র আরব নিউজকে বলেন, যে অ্যাকাউন্ট থেকে গুলির ঘটনা লাইভ হয়েছে সেটি এবং অপর অ্যাকাউন্ট থেকে এ হামলার যৌক্তিকতা প্রচার করা হয়েছে সেগুলো বন্ধ করা হয়েছে। দু’টি অ্যাকাউন্টই কঠোর টুইটার নীতি লঙ্ঘন করেছে। এ ঘটনায় গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন ওই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় টুইটারের একটি জরুরি টিম জরুরি পরিস্থিতি পরিচালনার জন্য কঠোর প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে। আমরা তদন্তের সাথে সাথে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করব।’

অপর এক বিবৃতিতে ফেসবুক বলেছে, লাইভ ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছে। এ জন্য ব্যাপক ‘প্রশংসা ও সমর্থন’ পাওয়া গেছে। লাইভ ভিডিওটি ছিল একটি হিংস্র হুমকি। নিউজিল্যান্ডের ফেসবুক প্রতিনিধি মিয়া গার্লিক বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড পুলিশ লাইভ স্ট্রিম শুরু হওয়ার পরেই আমাদের সতর্ক করেছিল। আমরা শুটারের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও ভিডিও উভয়কে অতি দ্রুততার সাথে সরিয়ে দিয়েছি। আমরা এ বিষয়ে নিউজিল্যান্ড পুলিশের সাথে সরাসরি কাজ করছি। আমাদের হৃদয় এই ভয়ঙ্কর হামলার শিকার ব্যক্তি, তাদের পরিবার ও সম্প্রদায়ের জন্য নিবেদিত।

ইউটিউব তাদের টুইটারে তাদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে বলেছে, ‘নিউজিল্যান্ডের এই ভয়ানক ঘটনায় আমাদের হৃদয় ভেঙে গেছে।

আরব নিউজ



মন্তব্য