ঢাকা - মার্চ ২১, ২০১৯ : ৭ চৈত্র, ১৪২৫

গোলান মালভূমিকে অধিকৃত না বলায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় আব্বাস

নিউজ ডেস্ক
মার্চ ১৫, ২০১৯ ০৯:৩৫
৬৬ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে গোলান মালভূমিকে ‘ইসরাইলের দখলকৃত’ অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ না করে ‘ইসরাইল নিয়ন্ত্রিত গোলান মালভূমি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বুধবার এ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এ ঘটনার সমালোচনা করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

অবশ্য মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর শব্দের এই পরিবর্তনকে নীতির পরিবর্তন নয় বলে জোর দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এমন একটি সংবেদনশীল বিষয়ে পরিবর্তন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই অঞ্চলের ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বা নীতিতে এবং আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন নেই। পররাষ্ট্র দফতরের ব্যুরো অফ ডেমোক্র্যাসি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবারের মাইকেল কোজাক বলেছেন, ‘এটি মানবাধিকার সংক্রান্ত কোনো বিষয় নয়, এটি আইনি মর্যাদার একটি প্রশ্ন। আমরা যা চেষ্টা করছি, তাহলো ওইসব এলাকায় মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর রিপোর্ট করা। আর আপনারা শুধু চেষ্টা করছেন সেই স্থানটির বিবরণ দেয়ার পদ্ধতি।

‘দখলকৃত অঞ্চল’ এর একটি আইনি অর্থ রয়েছে; আমি মনে করি তারা যা করার চেষ্টা করেছে তাহলো শুধু একটি ভৌগোলিক বিবরণ পরিবর্তন করা।’

গত বছর একটি রিপোর্টে আগে ব্যবহৃত ‘ইসরাইল এবং দখলকৃত অঞ্চলগুলো’ শিরোনামের পরিবর্তে ‘ইসরাইল, গোলান মালভূমি, পশ্চিম তীর এবং গাজা’ শিরোনাম ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

গত মাসে মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিও, টেড ক্রুজ, টম কটন এবং কংগ্রেসম্যান মাইক গালাঘ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সিনেটে দখলকৃত গোলানে ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে আইনগতভাবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা ও গোলান মালভূমিকে অধিকৃত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ না করার তীব্র সমালোচনা করেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদাইনাহ। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি অঞ্চল এবং সিরিয়ার গোলান মালভূমি থেকে ‘দখলকৃত’ শব্দটি বাদ দেয়া আমাদের ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের বৈরি আচরণের ধারাবাহিকতা এবং এটি জাতিসঙ্ঘের সব সিদ্ধান্ত-নীতিমালা ও প্রস্তাবের পরিপন্থী। ’

এএফপি ও আলজাজিরা



মন্তব্য