ঢাকা - মে ২০, ২০১৯ : ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬

রিয়ালে জিদানের বেতন কত?

নিউজ ডেস্ক
মার্চ ১৪, ২০১৯ ০৬:২২
৯৬ বার পঠিত

নয় মাসের ব্যবধানে রিয়াল মাদ্রিদে ফিরে সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ ও ভক্তদের মনে শান্তি এনেছেন জিনেদিন জিদান। সঙ্গে ভরছেন পকেটও! স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবর, দ্বিতীয় মেয়াদে বেশ ভালো বেতনই পেতে চলেছেন রিয়ালকে টানা তিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতানো কোচ!

স্পেনের পত্রিকা এল কনফিডেন্সিয়াল জানাচ্ছে, জিদানকে খুশি করতে সবরকম ব্যবস্থাই করছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। মনমতো খেলোয়াড় কেনা তো আছেই, পকেট নিয়ে যেন অসন্তুষ্ট থাকতে না হয় সেজন্য ভালো রকমের বেতনের বন্দোবস্ত করেছেন রিয়াল সভাপতি।

তিন বছরের চুক্তিতে বাৎসরিক ১২ মিলিয়ন ইউরো বেতন পাবেন জিদান, এমনটাই জানাচ্ছে সংবাদ মাধ্যমটি। সঙ্গে লোভনীয় সব বোনাস তো থাকছেই। শিরোপা জেতাতে পারলে থাকছে আলাদা বোনাসও!

এত বেতন পেলেও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া কোচদের ধারে কাছেও অবশ্য নেই জিদান। রিয়ালের নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কোচ ডিয়েগো সিমিওনের হাতে বছরে ২৪ মিলিয়ন ইউরোর প্যাকেট ধরিয়ে দেয় ক্লাবটি। বরখাস্ত হওয়ার আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ট্যাক্স কেটে রাখার পরও ২০ মিলিয়ন ইউরো বেতন পেতেন হোসে মরিনহো!

তবে অনেক নামীদামি কোচ আছেন যারা জিদানের থেকেও কম বেতন পান। টটেনহ্যাম হটস্পার কোচ মউরিসিও পচেত্তনির বেতন বছরে ১০ মিলিয়ন ইউরো। লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের বেতন ৮.৫ মিলিয়ন ও জুভেন্টাস কোচ অ্যালেগ্রি পান ৮ মিলিয়ন ইউরো।

আগের তিন মৌসুম তুলনা করলে ৪৬ বছর বয়সী জিদানের বেতন কিন্তু নেহাত কম নয়। রিয়ালের যুব দল কাস্তিয়ার কোচ থাকার সময় তার বেতন ছিল ২.৫ মিলিয়ন ইউরো। মূল দলের দায়িত্ব পাওয়ার পর সেটা বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৫ মিলিয়নে। ২০১৮ সালে প্রথম দফায় দায়িত্ব ছাড়ার আগে ৭.৫ মিলিয়ন পর্যন্ত বেড়েছিল জিদানের বেতন।

বিবিসি



মন্তব্য