ঢাকা - নভেম্বর ২৩, ২০১৯ : ৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬

আনিশা ফারুকের অক্সফোর্ড জয়

নিউজ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৯ ০৯:০৯
৩৭৩ বার পঠিত

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। স্টুডেন্ট ইউনিয়নের নির্বাচনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আইভি ম্যানিং (স্বতন্ত্র প্রার্থী) ও ইলি মিলনে-ব্রাউনকে (অ্যাসপায়ার প্যানেল) হারিয়ে প্রেসিডেন্ট হন অক্সফোর্ড ইমপ্যাক্ট প্যানেলের প্রার্থী আনিশা ফারুক। তিনি তুখোড় শিক্ষার্থী। তুখোড় নেত্রী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর ফারুক আহমেদ ও রেহানা চৌধুরীর মেয়ে আনিশা এখন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধিভুক্ত কুইন্স কলেজে ইতিহাস বিষয়ে তৃতীয় বর্ষে পড়ছেন।

পিতৃপুরুষের মাটি ভোলার চরফ্যাশন। জল-জোছনার দেশ সুনামগঞ্জের মেয়ে মা রেহানা চৌধুরী, জলের ফুলের নামেই তাঁর আদরের ডাকনাম রেখেছিলেন পদ্ম। লন্ডনের বারহাম প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু হয় আনিশার। ওয়েম্বলি হাই টেকনোলজি কলেজ থেকে জিসিএসি ও এ-লেভেল পাস করেন। কলেজে ছিলেন হেড গার্ল (কলেজ ক্যাপ্টেন)। জিসিএসি ও এ-লেভেলে ১৪ বিষয়ে ‘এ’ স্টার এবং ছয় বিষয়ে ‘এ’ মার্ক পেয়ে মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। স্কুলজীবনেই তাঁর লেখা ছেপেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রকাশনা।

বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় হন আনিশা। ছিলেন অক্সফোর্ড ইউনিয়নের নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য। আনিশা বিশ্ববিদ্যালয়টির নিজস্ব পত্রিকা—‘দ্য অক্সফোর্ড স্টুডেন্ট’র বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়ে ‘এডিটর ইন চিফ’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অক্সফোর্ড লেবার সাপোর্টার গ্রুপের প্রচারণা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়ে কো- চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি লেবার ক্লাব (ওইউএলসি) মূলত লেবার পার্টির মতাদর্শের ছাত্রসংগঠন। আনিশা এখানে স্টুডেন্ট কাউন্সিলের চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অক্সফোর্ড ফোরামের উইমেনস অফিসারের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। এই ফোরামটি শিক্ষার্থীদের বক্তৃতা ও বিতর্কে উত্সাহিত এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাঁদের যুক্ত করে। পাশাপাশি স্টুডেন্ট ইউনিয়নের ট্রাস্টি বোর্ডের উইমেনস অফিসার, টিচ অ্যা চাইল্ড-আফ্রিকা দাতা সংস্থার ট্রাস্টি বোর্ড মেম্বার, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে বিতর্কে অংশ নেওয়াসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শাখায়ই আনিশার রয়েছে উজ্জ্বল উপস্থিতি।



মন্তব্য