ঢাকা - এপ্রিল ২৬, ২০১৯ : ১৩ বৈশাখ, ১৪২৬

কঙ্গোতে ইবোলায় প্রাণহানি ৫০০ ছাড়িয়েছে

নিউজ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯ ১৮:৫৬
১৩১ বার পঠিত

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে নতুন ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর গত কয়েক মাসে ৫০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলি ইলুঙ্গা কালেঙ্গা প্রাণহানির এ সংখ্যা জানিয়েছেন। কালেঙ্গার দাবি, কঙ্গো সরকারের এক ভ্যাকসিন কর্মসূচির সহায়তায় আরো কয়েক হাজার মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

মধ্য আফ্রিকার উত্তরাংশে কঙ্গোর উপত্যকায় প্রবাহিত ইবোলা নদী থেকে ইবোলা ভাইরাসের নামকরণ। সর্বপ্রথম ১৯৭৬ সালে এ ভাইরাসের অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হয়। ২০১৪-১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তখন বেশি আক্রান্ত হয়েছিল গিনি, সিয়েরা লিওন এবং লাইবেরিয়া।

২০১৪ সালে কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণে ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গত বছরের আগস্ট মাস থেকে কঙ্গোর উত্তর কিভু অঞ্চলে নতুন করে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। শুক্রবার কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তখন থেকে সর্বমোট ৫০২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৭১ জনকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়েছে।

কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলি ইলুঙ্গা কালেঙ্গা বলেছেন, প্রথমবারের মতো ৭৬, হাজার ৪২৫ জন মানুষকে ভ্যাকসিন কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, অঞ্চলের বড় বড় শহরগুলোতে আমরা ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে পেরেছি।’

১৯৭৬ সালে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর এই নিয়ে দশমবারের মতো কঙ্গোয় ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ঘটল। বানর ও বাদুড়ের মতো বন্যপ্রাণী থেকে প্রথম এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয়। দেহ থেকে নিঃসৃত বিভিন্ন ধরনের রসের (রক্ত, লালা) মাধ্যমে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়। ইবোলার উল্লেখযোগ্য কোনো চিকিৎসা নেই। প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ জ্বর, ডায়রিয়া, বমি, পেশিতে ব্যথা, অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক রক্তক্ষরণ। ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ঘটনায় এই ভাইরাস প্রাণঘাতী হতে পারে।

আল জাজিরা



মন্তব্য