ঢাকা - আগস্ট ২৩, ২০১৯ : ৭ ভাদ্র, ১৪২৬

নির্বাচনি সহিংসতা এড়াতে ৬টি করণীয়

নিউজ ডেস্ক
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮ ১১:০১
১৬০ বার পঠিত

নির্বাচনের সময় সহিংসতার আশঙ্কা থাকে। সহিংসতার আশঙ্কা দূর করতে এবং নিজেকে নিরাপদ রাখতে কিছু বিষয় মনে রাখা যেতে পারে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক নির্বাচনি সহিংসতা এড়ানোর কিছু পন্থা সম্পর্কে-

গুজবে কান না দেওয়া

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সংস্থা সিআইটিএস বলছে, গুজব সহিংসতা ছড়ানোর অন্যতম কারণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে খুব সহজেই বিভ্রান্ত করা যায়। সুতরাং কোনো তথ্য বিশ্বাস করা বা শেয়ার করার আগে যাচাই করে বুঝে নিতে হবে তথ্যটি সঠিক কিনা।

গুজব না ছড়ানো

মত প্রকাশের অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু মত প্রকাশের মধ্য দিয়ে যেন কোনো ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে সেই বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কোর ‘মতপ্রকাশ’ বিষয়ক নির্দেশনায় এ বিষয়ে সজাগ থাকার কথা বলা হয়েছে৷

আপনার সহায়তায়-৯৯৯

বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের মতো এক বছর আগে বাংলাদেশেও চালু হয়েছে জরুরি সেবা ‘৯৯৯’৷ এই নাম্বারে ডায়াল করলেই পাওয়া যায় জরুরি অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশি সেবা৷ নির্বাচনের সময় অনেক তথ্য যাচাইয়ের জন্যও ডায়াল করতে পারেন ৯৯৯ নাম্বারে৷ এছাড়া যে কোনো খবর ঠিক কিনা তা জানার জন্য মূলধারার সংবাদ মাধ্যম তো রয়েছেই৷

সহিংসতার ছবি প্রকাশ না করা

নির্বাচনের সময়ে ঘটে যাওয়া সহিংসতার ছবি প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে হবে৷ এ ধরনের ছবির মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়তে পারে সহিংসতা৷ আবার সহিংসতার ছবি যাচাই না করে বিশ্বাস করাও অনেক সময় বিপদের কারণ হতে পারে, কেননা কোনো কোনো মহল পুরোনো এবং অন্য ঘটনার ছবি ‘এডিট’ করে প্রকাশ করেও সহিংসতা ছড়ানোর চেষ্টা করে৷

পরমতসহিষ্ণুতা

সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা কোনো সাংস্কৃতি কার্যক্রম করার অধিকার সবারই রয়েছে৷ নির্বাচনে ভোটাররা নিজ নিজ মত প্রকাশ করবেন, নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন– এটাই স্বাভাবিক৷ ভোটের জয়-পরাজয়কে বড় করে দেখে কারো প্রতি অসহিষ্ণুতা দেখালেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়৷

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা

নির্বাচনের সময় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তা নিয়ন্ত্রণ বা সমাধানের চেষ্টা নিজে না করে আইনশঙ্খলা রক্ষাকারী বাহীনির সদস্যদের জানান৷

ডয়েচে ভেলে



মন্তব্য