ঢাকা - নভেম্বর ২০, ২০১৮ : ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, সবাই অংশগ্রহণ করুন: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ০৮, ২০১৮ ০৯:৫৪
১২৭ বার পঠিত

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক জোট ও দলগুলোর সঙ্গে সরকারের সপ্তাহব্যাপী সংলাপ গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংলাপে বসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সংলাপে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে ঐক্যফ্রন্টকে আশ্বস্ত করে বলেন, আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। আপনারা সবাই অংশগ্রহণ করে জনগণের রায় গ্রহণ করুন। জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই বিজয়ী হবে। এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, সংলাপ শেষ হলেও পরে ছোট পরিসরে সরকারি দলের সঙ্গে বিরোধী দল ও জোটের মধ্যে আলোচনা চলতে পারে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন সংলাপে অংশ নিয়ে তার বেইলি রোডের বাড়িতে ফিরে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা আরও হবে।

এদিকে গতকালের সংলাপে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মেয়াদপূর্তির পর সংসদ ভেঙে দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের’ আদলে ১১ সদস্যের উপদেষ্টা নিয়ে নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দেয়। এ প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, এটা সংবিধানসম্মত নয়। এই দাবি মেনে নিলে দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। এ সুযোগে ওয়ান ইলেভেনের মতো অনভিপ্রেত ও অস্বাভাবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আমার দেশের জনগণের সঙ্গে প্রতারণামূলক কোনো অভিসন্ধি নিয়ে কাজ করি না। জনগণ যদি আমাদের ভোট দেয়, আমরা থাকব। আপনাদের ভোট দিলে আপনারা জিতবেন। নির্বাচনে কোনো প্রকার কারচুপি, জালিয়াতি কোনো কিছু হবে না। ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন হবে, ক্রেডিবল ইলেকশন হবে, অ্যাকসেপ্টেবল ইলেকশন হবে এবং বিদেশি পর্যবেক্ষক যেকোনো বুথে যেতে পারে, যেকোনো নির্বাচন কেন্দ্রে যেতে পারে। তারা (নির্বাচন পর্যবেক্ষক) যেভাবে চান, নির্বাচন কমিশন অ্যালাউ করলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

সুষ্ঠু নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে পিছিয়ে দিতে গিয়ে কোনো অপশক্তিকে ফাঁকফোকর দিয়ে অনুপ্রবেশের সুযোগ দেবেন না, যেটা আপনাদের জন্য ক্ষতি ডেকে আনতে পারে, আমাদের সকলের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে।’ এদিকে রাজনৈতিক মামলা হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ড. কামাল হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের আর গ্রেফতার করা হবে না বলে আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।



মন্তব্য