ঢাকা - সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮ : ৮ আশ্বিন, ১৪২৫

খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি ৮ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

নিউজ ডেস্ক
জুলাই ০৩, ২০১৮ ১৫:১৬
৯৭ বার পঠিত

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের আপিল শুনানি আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করেছে আদালত। আজ (মঙ্গলবার) হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার আপিল আবেদনের শুনানিতে রাষ্ট্র, দুদক ও খালেদার পক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন। তবে আদালতে খালেদা জিয়া আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ৮ জুলাই দিন ধার্য করেন।

এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয়। একইসঙ্গে, খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে দণ্ড দেয়া হয়।

এ সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেছিল হাইকোর্ট।

গত ১২ মার্চ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ১৬ মে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে খালেদা জিয়া তার সাজার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যে আপিল দায়ের করেছিল তা ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে, স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে নড়াইলের আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে দায়েরকৃত মানহানি মামলায় জামিন আবেদনের ব্যাপারে আদেশের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে ১৭ জুলাই।

গতকাল নড়াইল সদর আমলী আদালতের বিচারক জাহিদুল আজাদের আদালতে জামিন অবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। এর আগে গত ৫ জুন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শুনানি হলেও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া একই সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে তাকে (বঙ্গবন্ধু) ইঙ্গিত করে খালেদা জিয়া বলেন, তিনি স্বাধীনতা চাননি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। তার এই বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচার হবার পর মামলার বাদী নড়াইলের চাপাইল গ্রামের রায়হান ফারুকী ক্ষুদ্ধ হয়ে ২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার নামে নড়াইল সদর আদালতে মানহানি মামলা দায়ের করেন।

এ প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট খালেদা জিয়াকে স্বশরীরে আদালতে হাজির হয়ার নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময়ে খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।



মন্তব্য