ঢাকা - জুন ১৯, ২০১৮ : ৪ আষাঢ়, ১৪২৫

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ১২ লাখ গ্রাহক

নিউজ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮ ০৯:০১
২০২ বার পঠিত

এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা জনপ্রিয় হওয়ায় হিসাব (অ্যাকাউন্ট) সংখ্যা ও জমা অর্থের পরিমাণ উভয়ই বাড়ছে। গত এক বছরের ব্যবধানে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক বেড়েছে ১২৩ শতাংশ। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩৬ জন। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪ হাজার ৬২৪ জন। এক বছরের ব্যবধানে গ্রাহক বেড়েছে ৬ লাখ ৬০ হাজার ৮৮ জন। আর এসব হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং বিষয়ে হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের ১২ লাখ ১৪ হাজার ৩৬৭ জন গ্রাহক হিসাব খুলেছেন। এসব হিসাবে জমাকৃত অর্থের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৯৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত সেপ্টেম্বরে গ্রাহক ছিল ১০ লাখ ৩৮ হাজার ২৪২ জন এবং জমাকৃত অর্থের স্থিতি ছিল ৯২২ কোটি ৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে হিসাব বেড়েছে এক লাখ ৭৬ হাজার এবং স্থিতি বেড়েছে ৪৭৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা। চলতি বছরের ডিসেম্বর শেষে এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৭৭টি এবং আউটলেট সংখ্যা ৪ হাজার ১৫৭টি দাঁড়ায়। ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ শুরু করেছে। এ সময়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ হয়েছে ১০৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। আলোচিত সময়ে রেমিট্যান্স বিতরণ হয় ১ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে ১ হাজার ৭৮২ কোটি ৬৪ লাখ রেমিট্যান্স বিতরণ হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ১৮টি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের লাইসেন্স নিয়েছে। এর মধ্যে কার্যক্রম চালাচ্ছে ১৪টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো- ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক। এ ছাড়া এবি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক শিগগিরই এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কাজ শুরু করবে।



মন্তব্য