ঢাকা - সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮ : ৭ আশ্বিন, ১৪২৫

কিছু নীতিহীন ইংরেজি শিক্ষকের সাতকাহন

নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৭ ১৭:২৮
৩০১ বার পঠিত
কিছু নীতিহীন ইংরেজি শিক্ষকের সাতকাহন

বলছিলাম কিছু ইংরেজী শিক্ষকের সতাকাহন লিখবো। যদিও আমি একজন শিক্ষক হিসেবে লজ্জিত। অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর কুমিল্লা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষক এবং প্রধান পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েও বিনয়ের সাথে দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেছি। এর প্রধান কারণ হলো উত্তর পত্র মূল্যায়নে আমি যথেষ্ট সময় দিতে পারবো না। আমার কাজের অবহেলার কারণে যদি কোন ছাত্র ছাত্রী ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা আমার বিবেককে দংশন করবে। গৌরচন্দ্রিকাটি একারণে দিলাম যে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করা না যায় সে দায়িত্ব না নেয়াই ভাল।

(আমি বিনয়ের সাথে বলে রাখছি আমার এ লেখাটি সকল ইংরেজি শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কতিপয় ইংরেজী শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে এ লেখা )

এই সমস্ত ইংরেজী শিক্ষক নিজেদের এতটাই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন যে তারা অন্য বিষয়গুলোর শিক্ষকদের শিক্ষকই মনে করেন না।

১। ইস্কুল খুইলাছেরে মাওলা : এস এস সি পরীক্ষার পর থেকে ছাত্র ছাত্রীরা হুমরী খেয়ে পরে এই সমস্ত শিক্ষকের বাসায়। বাসা নয়তো ছোটখাট একটা ক্লাশরুম। প্রতি ব্যাচে ৩০-৪০ জন। ইস্কুল খুইলাছেরে মাওলা ইস্কুল খুইলাছে। এই স্কুলে যে একবার নাম লেখাবে তার আর নিস্তার নেই। অক্টোপাস ধরলে ছাড়ে কিন্তু এই সমস্ত ব্যবসায়ী ইংরেজী শিক্ষক ধরলে আর ছাড়াছাড়ি নাই। প্রয়োজনে ছাত্র ছাত্রীর মা বাবাকেও ইংরেজী শিখিয়ে দেয়া হবে।

২। বনিজ্যে বসতি লক্ষ্মী : প্রাইভেটের নাম যে বানিজ্যের পসরা বসানো হয় তার থেকে নিস্তার মেলা দায়। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যারা প্রাইভেট পরে তার অধিকাংশই ফেল করে। এর কারণও আছে যে উদ্দেশ্যে প্রাইভেট পড়তে যায় তার সিকিভাগও ছাত্র ছাত্রীরা পায় না। হাজিরা দাও টাকা দাও। প্রাইভেটের নামে টাকা তৈরীর কারখানা।

৩। অর্থ জমা দেয়ার বুথ : আমি এমন একজন ইংরেজি শিক্ষককে জানি যিনি মাসের একদিন বরাদ্দ রাখেন ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করার জন্য। প্রথম কারো নজরে আসলে বুঝবে হয়তো ছাত্র ছাত্রীরা ব্যাংকে টাকা জমা দিচ্ছে। লাইন একেবারে রাস্তা পর্যন্ত। অনেক সময় গিন্নি এ কাজে সহযোগিতা করেন।



মন্তব্য