ঢাকা - ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮ : ১০ ফাল্গুন, ১৪২৪

নাদিয়ার কেক দেখে ধাঁধায় পড়েছেন রাণী, হয়েছেন খুশি

নিউজ ডেস্ক
এপ্রিল ২৩, ২০১৬ ১৩:৫৯

6666যুক্তরাজ্যে এবার ব্রিটিশ-বাংলাদেশী অনন্য প্রতিভাবান নাদিয়া জামির হোসেন রানী এলিজাবেথের ৯০তম জন্মদিনের আনুষ্ঠানিক কেকটি বানিয়েছেন । বৃহস্পতিবার নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে জন্মদিন পালনের পর শুক্রবার সেই কেকের ছবি ব্রিটেনের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। কেকটি দেখে মনে হবে যেন তিনটি সোনালী, বেগুনী এবং ডোরাকাটা কেক - একটি আরেকটির ওপর বসানো।
কেকটি খেয়ে খুশি রাণী এলিজাবেথ।


রাণীর ইচ্ছা অনুযায়ী ২০১৫ সালের বিবিসির গ্রেট বৃটিশ বেইক অফ চ্যাম্পিয়ান নাদিয়া রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ৯০তম দিন জন্মদিন উপলক্ষে সোনালী ও বেগুনী রঙ মিশিয়ে অরেঞ্জ ফ্লেবারের এই কেকটি বানান। প্রিন্স ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ নাদিয়ার বানানো কেক কাটেন। কেক কাটার সময় রাণী কেকটি কাটবে কী না এ কথা বলে নাদিয়ার সঙ্গে রসিকতাও করেন। নার্ভাস নাদিয়া এ সময় রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে হ্যান্ডশেকও করেন।


বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত লুটন শহরের বাসিন্দা নাদিয়া হোসেন বলেছেন, তিনি সনাতনী ডিজাইনের তুলনায় সম্পূর্ণ অন্যরকম চেহারার একটি কেক বানাতে চেয়েছিলেন, এবং এই আইডিয়াটা তার মাথায় হঠাৎ করেই এসেছে। কেকটা দেখে রানী এলিজাবেথ নাদিয়াকে প্রশ্ন করেছিলেন, এর ভেতরে কি আছে? নাদিয়া উত্তর দেন, 'অরেঞ্জ ড্রিজল।' রানী তখন আবার প্রশ্ন করেন- 'এটা কি কাটা যাবে?nadia_10688' আমি বুঝলাম- তিনি হয়তো ভয় পাচ্ছেন যে কেকটা কাটা যাবে না, অথবা তার এমন কোনো কেকের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে যা কাটা যায়নি। কিন্তু আমার তেমন কোনো দুর্ভাবনা ছিল না। বললাম, হ্যাঁ এটা কাটা যাবে। কেকটা কাটতে রানীর কোনো অসুবিধাই হয়নি।


নাদিয়া হোসেন বলেছিলেন, টিভিতে একটি কেক বানানোর অনুষ্ঠানে পুরস্কার পাওয়ার পর যখন তিনি বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে রানীর ৯০তম জন্মদিনের কেক বানানোর আমন্ত্রণ পেলেন, তিনি তা বিশ্বাসই করতে পারেননি। নাদিয়া তার বাড়িতে বসেই কেকটি বানিয়েছেন। তবে তা রানীর কাছে পাঠাতে তিনি একজন কুরিয়ার ব্যবহার করেছেন, নিজে নিয়ে যাননি।



সূত্র: বিবিসি বাংলা।



মন্তব্য