ঢাকা - মে ২২, ২০১৮ : ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫

আজ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস, ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে প্রধান অন্তরায়

নিউজ ডেস্ক
মার্চ ২৪, ২০১৬ ১৬:৫৩
০ বার পঠিত

open-uri20141031-12476-1omoy3q


দেশে ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মায় (মাল্টি ড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট টিবি-এমডিআর টিবি) আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হচ্ছে কম। আবার এই জটিল রোগে আক্রান্ত যারা শনাক্ত হচ্ছে, তাদের সবাই চিকিৎসার আওতায় আসছে না। আর চিকিৎসার আওতায় আসা সবার তথ্য ঠিকভাবে রাখা হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন থেকে এমডিআর যক্ষ্মা ব্যবস্থাপনার এ চিত্র পাওয়া গেছে।


গত বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমডিআর যক্ষ্মার প্রকোপ বেশি এমন ২৭টি দেশের তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম আছে। সংস্থাটি বলছে, ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমডিআর যক্ষ্মার প্রকোপ বৃদ্ধি যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সাফল্যের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি তৈরি করেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি তৈরি করছে।


২০১৫ সালে ২ লাখ ৬ হাজার ৯১৯ জন যক্ষ্মা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নিয়েছে বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে এই বিপুল সংখ্যক রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস সামনে রেখে বুধবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ব্র্যাকের ওই সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সনাক্তদের মধ্যে প্রায় আট হাজার শিশু এবং মারা গেছে ছয় হাজার।


প্রতি বছর ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হয়। এবারের প্রাতিপাদ্য ‘ঐক্যবদ্ধ হলে সবে, যক্ষ্মা মুক্ত দেশ হবে।’


সরকার ব্র্যাকের মাধ্যমে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ১১০৪টি ল্যাবরেটরি, ৪০টি ইকিউএ ল্যাবরেটরি ও ৩৯টি জিন এক্সপার্ট কেন্দ্রের মাধ্যমে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলছে।


সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির একজন কর্মকর্তা বলেন, ২০১৫ সালে কর্মসূচির মাধ্যমে ২ লাখ ৬ হাজার ৯১৯ জন যক্ষ্মা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসাসেবা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ বছরের কম বয়সী ৮ হাজার ১০৩ জন। ২০১৪ সালে কর্মসূচিতে যক্ষ্মা রোগী চিকিৎসায় সফলতার হার ৯৪ শতাংশ।


নিরাময়যোগ্য এই রোগ এখনও পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে ধ্বাংসাত্মক মহামারী হিসেবে রয়ে গেছে। ২০১৪ সালে বিশ্বের ৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন যক্ষ্মা রোগীর মধ্যে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন মারা যায়। বাংলাদেশে ২০১৫ সালে সনাক্ত রোগীর ৩ শতাংশ মারা যায়; যা সংখ্যায় প্রায় ৬ হাজার।


বাংলাদেশ২৪অনলাইন/এমএম



মন্তব্য