ঢাকা - ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮ : ১০ ফাল্গুন, ১৪২৪

৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়নের প্রথম সোপান

নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ২১, ২০১৫ ১৫:৪৩

1৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা টেকসই উন্নয়নের প্রথম সোপান। নতুন করে তৈরি হবে ভিশন ডকুমেন্ট-৩০। উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করতে পারলে উন্নয়নের নতুন এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অসম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদরা।


অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুধুমাত্র দারিদ্রতা নয় কমাতে হবে বৈষম্য। যারা প্রবৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সঙ্গে অতীতে খুব একটা সম্পৃক্ত হতে পারেননি তাদেরকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। এবং সেই সাথে পরিবেশের দিকে নজর রেখে সবাইকে সম্পৃক্ত করে প্রবৃদ্ধি যাতে দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারে সেটাই হচ্ছে এখন মূল এজেন্ডা।এছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়হীনতা বাধাগ্রস্ত করতে পারে টেকসই উন্নয়ন ধারাকে।


ইতোমধ্যে বিশ্ববাসী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। এখন সবার দৃষ্টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের দিকে। জাতিসংঘের ১শ' ৯৩টি সদস্য দেশ, ১৭ দফা পরিকল্পনা সামনে নিয়ে শুরু করতে যাচ্ছে নতুন এই বৈশ্বিক এজেন্ডা। এই ১৭ দফার মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচন, গুনগত শিক্ষা, সুশাসনসহ বিভিন্ন এজেন্ডা রয়েছে ।


জানা যায়, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০৩০ সালে গিয়ে শেষ হবে পনের বছরব্যাপী নতুন এই বৈশ্বিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন কার্যক্রম।  এ অবস্থাকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারও নিয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি । টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ঠিক করে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । আগামী ১৫ বৎসরের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হবার লক্ষ্যে একটি ভিশন ডকুমেন্ট-২০৩০ তৈরি করতে যাচ্ছে সরকার।


বাংলাদেশ২৪অনলাইন/এআর/আরআই




মন্তব্য