ঢাকা - এপ্রিল ২৫, ২০১৮ : ১১ বৈশাখ, ১৪২৫

ছয় লেনের ফ্লাইওভার : উন্নয়নের মহাসড়কে নতুন মাইলফলক

নিউজ ডেস্ক
জানুয়ারি ০৪, ২০১৮ ১৭:৪৩

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালে নির্মিত দেশের প্রথম ছয় লেন ফ্লাইওভার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন তিনি। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ যাতে দক্ষিণ এশিয়ায় ‘উন্নত-সম্মৃদ্ধ দেশ’ হিসেবে গড়ে ওঠে- সে লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতাও কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) অবস্থান থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। এখন চলছে ২০১৮ সালে জাতিসংঘে উত্থাপিত এলডিসি থেকে উত্তরণের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব তৈরির কাজ। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। গত ২০শে ডিসেম্বর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবের কাছে আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দিয়েছেন ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আযম। ওই ডিও লেটারে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) স্ট্যাটাস থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত নির্ণায়ক যথা- মাথাপিছু জিএনআই, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক সংকট সূচকের মান ইতিমধ্যে অর্জিত হয়েছে।

উন্নয়নের পথে সরকারের সফলতার বার্তা দিতে আসছে ১১ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারি তিনদিন ধরে সারাদেশে জেলা থেকে একেবারে উপজেলা পর্যন্ত এক সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে উন্নয়ন মেলা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে সামনে রেখেই এ মেলার আয়োজন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ হচ্ছে উন্নয়নের বিষয়টি সবার সামনে দৃশ্যমান করা।

জোরেশোরে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ
দক্ষিণাঞ্চলের লাখো মানুষের স্বপ্নে লালিত পদ্মা সেতুর কাজ চলছে জোরেশোরে। প্রকৌশলী এবং শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ৩০ সেপ্টেম্বর সেতুটির ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর (জাজিরা প্রান্ত) প্রথম স্প্যান বসানো হয়েছে। আগামী মাসে আরো ৩ থেকে ৪টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হবে বলে জানা গেছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে ইতোমধ্যে জাজিরা প্রান্তে ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের তৃতীয় ধাপের ঢালাই শেষ হয়েছে। ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ হয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শক্তির অধিকারী তিন হাজার ৫০০ কিলোজুল শক্তির হ্যামার। এরই মধ্যে মূল সেতুর ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পদ্মা সেতুর ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের ফাইনাল লেয়ার কংক্রিটিং শুরু হবে। বর্তমানে ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের পিয়ার কলামের ফাইনাল লেয়ার রড বাঁধাইয়ের কাজ চলছে। এরপর চতুর্থ ধাপের কংক্রিট ঢালাই শুরু হবে। চলতি মাসের শেষের দিকেই আরেকটি স্প্যান বসানোর জন্য পিলারগুলো উপযোগী হবে।

পদ্মা সেতুর ৩৯ নম্বর পিলারকে ঢালাই উপযোগী করতে পর্যায়ক্রমে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পিলারের রডের খাঁচা বাঁধাই করে বসানো শেষ হয়েছে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই ৩৯ নম্বর পিলারের শাটারিং শুরু হবে। শাটারিং শেষ হলেই কংক্রিট ঢালাই হবে এবং এরপর প্লিন্ট লেভেলে কংক্রিটিং ঢালাই শুরু হবে। এরপর স্প্যান বসানোর উপযুক্ত হবে পিলারটি। এ ছাড়া ৪০ নম্বর পিলারের ফাইনাল লেয়ারের রড বাঁধাইয়ের কাজ চলছে। ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ। খুব শিগগিরই পিয়ার কলামের রড বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হবে। এর পরে পিয়ার কলামের প্রথম ধাপের ঢালাই শুরু হবে। এদিকে, ৪১ নম্বর পিলারের ভেতরের কাজগুলো চলছে। পুরোপুরি পাইলটি উপযোগী হতে চলতি বছর লেগে যাবে। ২০১৮ সালের দিকে পাইল ক্যাপের কাজ শুরু হবে। মাওয়ার কুমারভোগ ওয়ার্কশপে ৭বি ও ৭সি নামে দুটি স্প্যানকে পিলারের ওপর স্থাপনের জন্য উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। শেষ ধাপে রঙের কাজ শেষ হলে মাওয়া থেকে জাজিরা প্রান্তে নিয়ে আসা হবে। এ সব কাজে বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিখুঁতভাবে যাচাই-বাছাই করে পরামর্শ এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর ১০তম স্প্যান মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে খালাস হয়েছে। চীন থেকে সমুদ্র পথে আসা এটি নিয়ে ১০টি স্প্যান পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৭টি স্প্যানের ফিটিং সম্পন্ন হয়েছে। পদ্মা সেতুর জন্য মোট ৪১টি স্প্যান প্রয়োজন হবে। চীনে এ পর্যন্ত ২০টি স্প্যান তৈরি সম্পন্ন হয়েছে। তৈরি হওয়া বাকি আরো ১০টি স্প্যান পর্যায়ক্রমে মাওয়ায় আনার কাজ চলছে। এছাড়া নতুন করে আরো ৮টি স্প্যান তৈরির কাজ এখন চীনে চলমান রয়েছে।

রাজধানীবাসীর স্বপ্নের মেট্রোরেল
রাজধানীর যানজট নিরসনে আরেকটি স্বপ্নের প্রকল্প মেট্রোরেলের কাজও চলছে। এর মূল কাজের পাশাপাশি চলছে ডিপো নির্মাণ ও মাটির তলদেশের বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন কাজ। রাজধানীবাসীর মেট্রোরেলের স্বপ্ন বাস্তবায়নে চলছে কর্মযজ্ঞ। রাতদিন অবিরাম চলছে পরীক্ষামূলক পাইলিং (মাটির অনেক গভীরে ভিত্তি স্থাপন) ও স্যান্ড কম্পাকশন পাইলিং (মাটির গভীরে বিশেষ প্রক্রিয়ায় বালু ভরাট)। সেই সঙ্গে বেশ জোরেশোরেই চলছে ডিপো ও স্টেশন নির্মাণের কাজও। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে থাকা (ফার্স্ট ট্রাক) প্রকল্প হওয়ায় এর কার্যক্রম সরাসরি তদারক করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকৌশলী, কর্মী ও শ্রমিকরা তা বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। গত বছর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায় এ প্রকল্পের ছয় জাপানি প্রকৌশলী নিহত হওয়ার পর যে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল, সবার প্রচেষ্টায় কেটে গেছে সেটিও। ফলে প্রাণ ফিরে পেয়েছে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ।

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (মেট্রোরেল) সাবেক প্রকল্প পরিচালক এবং বর্তমানে রেল সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, প্রকল্পটি ২০২৪ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা ছিল। কিন্তু আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়েছি ২০১৯ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের। সেভাবেই কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছিল। কিন্তু হলি আর্টিজানে হামলায় ছয় জাপানি প্রকৌশলী নিহত হওয়ায় কাজ মারাত্মক বাধাগ্রস্ত হয়। পরে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা এবং যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই বিদেশিদের প্রকল্পে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।মিরপুর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির লাইন) স্থানান্তরের কাজ শেষ। নভেম্বরে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়। এ কাজটি বেশ চ্যালেঞ্জিং। কেননা এটি মূল সড়ক। তবে যাতে মানুষের কষ্ট কম হয়, এ জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে। কাজ চলার সময় মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের মতো জনদুর্ভোগ হবে না।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরা থেকে মতিঝিল মাত্র ৩৭ মিনিটে যাওয়া যাবে। বর্তমান বাস্তবতায় ঢাকাবাসীর কাছে এটা অলীক স্বপ্ন। কিন্তু ধীরে ধীরে তা এগিয়ে যাচ্ছে বাস্তবায়নের দিকে। বিদ্যুৎচালিত এ রেলে প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিকে ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মেট্রোরেল তৈরির মধ্য দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশ্বমানে উন্নীত হওয়ায় ঢাকার যানজটও কমে যাবে। এ ট্রেনের গতি হবে ঘণ্টায় গড়ে ৩২ কিলোমিটার (সর্বোচ্চ ১শ’ কিলোমিটার)। এ রুটে চলাচল করবে ১৪টি ট্রেন। প্রতিটিতে ৬টি করে বগি থাকবে। প্রতি ট্রেনে ৯৪২ জন যাত্রী বসে এবং ৭৫৪ জন দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে পারবে। প্রতি ৪ মিনিট পর ট্রেন ছেড়ে যাবে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
দ্রুত এগিয়ে চলেছে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগের অন্যতম বড় প্রকল্প এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ। ঢাকায় প্রথমবারের মতো শুরু হওয়া এ সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালে। তবে এর কাজ অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এটি চালু হলে বিমানবন্দর থেকে মাত্র মিনিট বিশেকে যে কেউ পৌঁছে যেতে পারবেন যাত্রাবাড়ীতে। বর্তমানে বিমানবন্দর সড়কের কাওলা এলাকায় পাইল ডাইভিংয়ের কাজ চলছে। এরপর পাইল বসানো শুরু হবে। এ প্রকল্পের কাজের ১০ শতাংশেরও বেশি অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্প পরিচালক কাজী মো. ফেরদৌস আহমেদ জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তারা কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। এ প্রকল্পে সরকারের গুরুত্ব থাকায় অর্থায়নে কোনো সমস্য নেই। জমি অধিগ্রহণের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্প অনুযায়ী, ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট এ উড়াল সড়ক নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় এ প্রকল্পে সরকারের অর্থায়ন ২ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। বাকিটা সহযোগিতা করছে ইটালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি। বেশিরভাগ অংশ রেললাইনের ওপর দিয়ে যাবে। এ প্রকল্পের রুট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেঁজগাও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (কততুবখালী) পর্যন্ত যাবে। যার বেশিরভাগ অংশই বিমানবন্দর থেকে মহাখালী-মগবাজার পর্যন্ত রেললাইনের ওপরেই থাকছে। এর মধ্যে ৩১টি র‌্যাম্প থাকার কথা।

অন্যদিকে চূড়ান্ত নকশা অনুমোদনের পর ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ’ প্রকল্পের ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) তৈরি করেছে সেতু বিভাগ। উড়াল সড়কটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু হয়ে ইপিজেড- চন্দ্রা ইন্টারসেকশনে শেষ হবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার। উভয় পাশে চারলেনের ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সংযোগ সড়কও নির্মিত হবে। উড়াল সড়কে আরও থাকছে ১০ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ র্যাম্প, নবীনগর ইন্টারসেকশনে ১ দশমিক ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার, বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুসারে ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার সেতু ও ১৮ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার কাজ। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪ শতাংশ সুদে ১০ হাজার ৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ঋণ দেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক। বাকি অর্থায়ন করবে সরকার। মোট ব্যয়ের ২ হাজার কোটি টাকা সংস্থান রাখা হয়েছে ৩৭ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন খাতে। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকল্প সাহায্যের ২ হাজার ২০ কোটি টাকাসহ মোট ৩ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মূল্য উদ্দেশ্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী আশুলিয়া অংশের যানজট নিরসন করা। সফলভাবে উড়াল সড়কটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ৩০টি জেলার সহজ সংযোগ স্থাপিত হবে। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও হবে যানজটমুক্ত। পাশাপাশি যানজটমুক্ত হবে আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল-চন্দ্রা এলাকা। নির্মাণ পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য প্রকল্পটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট করপোরেশন (সিএমসি) ।



মন্তব্য