ঢাকা - ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮ : ১০ ফাল্গুন, ১৪২৪

কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া গিয়েও বিপাকে

নিউজ ডেস্ক
ডিসেম্বর ০৪, ২০১৭ ১৬:২৯

‘কলিং ভিসায়’ মালয়েশিয়া যাওয়ার পরও কোম্পানি থেকে বেতন পাচ্ছেন না অনেক বাংলাদেশি। উল্টো বেতন, ওভারটাইম চাওয়ার অপরাধে কোম্পানির সুপারভাইজারেরা কয়েক শ্রমিককে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করেছেন। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে এক শ্রমিক জহুরবারুর কোম্পানি থেকে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

২০১৭ সালের ১০ মার্চ মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশকে সোর্স কান্ট্রির মর্যাদা দিয়ে শ্রমিক আমদানি শুরু করে। এর পর থেকেই কলিং ভিসায় প্রায় ৬০ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়ায় পৌঁছে কাজ শুরু করেন। বাকি চাহিদাপত্র যাচাই শেষে শিগগিরই আরো কয়েক হাজার শ্রমিক দেশটিতে পাড়ি জমানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রার নেতারা জানান। জানা গেছে নতুন কলিং পদ্ধতিতে শ্রমিক যাওয়ার পর বেশির ভাগ শ্রমিকের থাকার সমস্যা হচ্ছে। কোনো কোনো কোম্পানি লেভির নামে শ্রমিকদের বেতন থেকেই টাকা কেটে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এ প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম জানান, আগে যে পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় লোক আসত তখন কোনো সিস্টেম মানা হতো না। এখন আর আগের সেই দিন নেই। নতুন সিস্টেমে এ দেশে যেসব শ্রমিক আসছেন তাদের বেকার থাকার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো শ্রমিক সমস্যায় আছেনÑ এমন লিখিত অভিযোগ যায় তাহলে ওই কোম্পানিরতো বারোটা বেজে যাবে! কারণ এ দেশের লেবার ল অনুযায়ী কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে একজন শ্রমিকের সমস্যার জন্য ৩২ হাজার রিংগিত জরিমানা গুনতে হবে। এরপর আরো শাস্তি তো আছেই।

সূত্র : নয়াদিগন্ত



মন্তব্য