ঢাকা - ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮ : ৫ ফাল্গুন, ১৪২৪

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে বিনিয়োগে আগ্রহী জার্মানির এভি এলায়েন্স

নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ১৫, ২০১৭ ১৫:৩৬


বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের অংশীদার হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জার্মানির এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান এভি এলায়েন্স। আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন এ প্রতিষ্ঠানের জেদ্দা, এথেন্স, হামবুর্গ, সিডনি, তিরানা ও বুদাপেস্টসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

দেশে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ করার জন্য জাপানি প্রতিষ্ঠান নিপ্পন কোই লি. সমীক্ষা যাচাই শেষে মাদারীপুরের শিবচরের চর নাজাতে, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ও ঢাকার দোহারের চর বিলাশপুরকে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত করেছে।

পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের অর্থায়ন, ডিজাইন, নির্মাণ, পরিচালন ও মেইনটেইন্সে চারশ’কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানটি। বিওটি ভিত্তিতে প্রথমে ২৫ ও পরে ২০ বছরের জন্য চুক্তি হবে।

সম্প্রতি বেসামরিক বিমান ও পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এভি এলায়েন্স এর পক্ষ থেকে এ আগ্রহের কথা জানানো হয়।সভায় বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে সরকার এ বিমানবন্দর নির্মাণ করতে যাচ্ছে। এ বন্দর ১০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি, দেশের বাণিজ্য বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতে বিশাল অবদান রাখবে।

বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর শুধু সিভিল এভিয়েশন নয়, গোটা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প। কমপক্ষে দুটো পদ্মা সেতুর সমান ব্যয়ে নির্মিত হবে এ বিমানবন্দর। ২০১৯ সালের দিকে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগ্রহ রয়েছে সরকারের।

এই বিমানবন্দরে প্রতি মিনিটে একটি করে ফ্লাইট ওঠানামা করবে। বছরে কমপক্ষে এক কোটি ২০ লাখ যাত্রীর চেক ইন ও চেক আউট। বিমানবন্দর থেকে বের হয়েই মাত্র আধা ঘণ্টায় কোন ধরনের যানজট ছাড়াই জিরো পয়েন্টে পৌঁছার সুবিস্তৃত সড়ক। চব্বিশ ঘণ্টা ৪ শ’ যাত্রীবাহী ফ্লাইট ও ২শ’ কার্গোবাহী ফ্লাইট অপারেশন। এমনই অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিশ্বমানের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিমানবন্দরের সমীক্ষার কাজ চলছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন, বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর হবে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার বৃহতত্তম ও আকর্ষণীয় এক স্থাপনা। এর নান্দনিক নির্মাণশৈলী হবে অভূতপূর্ব। আগামী এক শ’ বছরের পরিকল্পনা বিবেচনায় নিয়ে সাজানো হবে এর অবকাঠামো।

বাংলাদেশ২৪অনলাইন/টিএম


মন্তব্য