ঢাকা - মে ২২, ২০১৮ : ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিরাই ব্যাংকিং খাতের বড় ঝুঁকি!

নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ২৬, ২০১৭ ২০:৪৪
০ বার পঠিত
দেশের ২৭ শতাংশ ব্যাংকেই ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধা ভোগ করছে এক শ্রেণীর অসাধু গ্রাহক। এছাড়া স্কুল ব্যাংকিংয়ের আড়ালে অনিয়ম করছে একটি চক্র। ১৯ শতাংশ ব্যাংকে তহবিল বৈচিত্র্যকরণ হচ্ছে এবং ১৮ শতাংশ ব্যাংকে গ্রাহকরা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হচ্ছে, যা ব্যাংকিং খাতের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি।

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে ‘এক্সপ্লোরিং বেরিয়ারস অব সাসটেইনেবল ফিন্যান্স ইন ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর অ্যান্ড পলিসি প্রোপজিশনস টু রিমুভ দ্য বেরিয়ার’ শীর্ষক কর্মশালায় ব্যাংকিং খাতে বিদ্যমান নানা ধরনের দুর্নীতির এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের ব্যাংকগুলোর বেশিরভাগই প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে পারে না। ৪৯ শতাংশ ব্যাংকই গ্রামের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে পারে না, যা ব্যাংকগুলোর জন্য বড় বাধা। এছাড়া সক্ষমতা উন্নয়নেও পিছিয়ে রয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। দেশের ৫৯ শতাংশ ব্যাংকেই দক্ষ জনশক্তির অভাব রয়েছে।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ইদানীং সব ক্ষেত্রেই ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটা অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা বিরাজ করছে। কিন্তু টেকসই অর্থায়নের ক্ষেত্রে সবাইকে একই ছাতার নিচে আসতে হবে। শুরু থেকেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গ্রিন ব্যাংকিং, স্কুল ব্যাংকিংসহ অন্যান্য বিষয়ে ধারণা দিতে হবে। গত কয়েক বছর ধরে শস্য বীমা চালু করার কথা বলা হলেও তা আলোর মুখ দেখছে না। একই সঙ্গে সবুজ অর্থায়নের কোনো প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে না। প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে মানব সম্পদের উন্নয়ন করতে হবে।


মন্তব্য