ঢাকা - মে ২২, ২০১৮ : ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫

আড়াই শ’ টাকায় গরুর গোশত!

নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ১৯, ২০১৭ ১৪:৪৮
০ বার পঠিত
ভারতীয় গরু ও গোশত আমদানি হলে দেশীয় পশুপালন, চামড়াশিল্প উন্নয়ন ও পশুর বর্জ্য রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পশুহাটে চাঁদাবাজি ও ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ এবং পশুপালনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ যথাযথ পালন করা হলে দেশে আড়াই শ’ থেকে তিন শ’ টাকা দরে সারা বছর গরুর গোশত খাওয়ানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রবিউল আলম। শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন গোশত ব্যবসায়ী সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রবিউল আলম বলেন, গাবতলীর গরুর হাটের ইজারাদার ইজারার শর্ত মানেন না। তার অত্যাচারের বিষয়ে গাবতলী পশুর হাটের র্যাব ও পুলিশের ক্যাম্পে গিয়ে অভিযোগ করলেও কোনো সুরাহা পাওয়া যায় না। কারণ ইজারাদার ইজারার শর্ত বাস্তবায়ন করছে কি না তা দেখার ক্ষমতা পুলিশকে দেয়া হয়নি। আমাদের দাবি, র্যাব-পুলিশকে এ ক্ষমতা দেয়া হোক। সিটি করপোরেশনকে বারবার অভিযোগ জানালেও এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তার কারণে কোনো সমাধান পাওয়া যায় না। ফলে গরু প্রতি গোশত ব্যবসায়ীদের পাঁচ-ছয় হাজার টাকা খাজনা দিতে হয়। এত টাকা খাজনা দেয়ায় গরুর গোশতের দামও বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আগে ভারত থেকে গরু আনতে পাঁচ-ছয় হাজার টাকা খরচ হতো। এখন আনতে ৩০-৩৫ হাজার টাকা লাগে। তারপরও ভারত থেকে অবাধে গরু আসছে। কোনো সীমানা নেই। বন্যার পানির সাথে গরু ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভারত বাংলাদেশে প্যাকেটজাত হিমায়িত গোশত রফতানির কথা চিন্তা করছে। যদি গরু আসা অব্যাহত থাকে, প্যাকেট গোশতও আসে তাহলে দেশের খামারিরা মাঠে মারা যাবেন। আমাদের পরামর্শ, অন্তত একটা বছর ভারত থেকে গরু ও গোশত আসা ঠেকান। তাহলে আমাদের দেশ গবাদিপশুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। এ বছর কোরবানিতে যে পরিমাণ পশু লাগবে তা আমাদের আছে। ভারত থেকে গরু আনা লাগবে না। দেশে এক কোটি ১৫ লাখ ৫৭ হাজার পশু মজুদ আছে। পশুপালন উন্নয়নে লোন আনতে গেলে ব্যাংক কর্মকর্তারা পার্সেন্টেজ চান। এগুলো বাদ দিতে হবে। পার্সেন্টেজ দিয়ে পশুপালনের উন্নয়ন হবে না।


মন্তব্য