ঢাকা - ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮ : ১০ ফাল্গুন, ১৪২৪

যৌনতা নিয়ে মারাত্মক সব কুসংস্কার

নিউজ ডেস্ক
জুন ২৭, ২০১৭ ১৮:০৬
বিশ্বে যৌনতা নিয়ে রয়েছে নানা কুসংস্কার। এই ভ্রান্ত ধারণাগুলির কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এই আয়োজন। আন্তর্জাতিক একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পত্রিকার প্রতিবেদনের সংক্ষিপ্তকারে দেওয়া হলো

১. একটি জনপ্রিয় ভুল ধারণাই হলো, একাধিক কুমারীর সঙ্গে যৌনতায় মেতে উঠতে পারলে নাকি পুরুষরা অমর হয়ে উঠতে পারেন। প্রায় ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চীনে এই ধারণাকে সত্যি বলে মানতেন বাসিন্দারা। তারা বিশ্বাস করতেন ছিল, প্রতি রাতে নতুন নতুন কুমারীকে সঙ্গমে রাজি করাতে পারলে, সেই ব্যক্তি অমর হয়ে থাকবেন। তবে শর্ত একটাই, মিলনের সময় বীর্যস্খলন হলে চলবে না।

২. ১৮৯৪ সাল নাগাদ একটি ধারণা প্রচলিত যে, রাত না হলে পুরুষ ও নারীদের মিলিত হওয়া উচিত নয়। গাঢ় অন্ধকার ছাড়া ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রথা ছিল না। এখানেই শেষ নয়! সে সময়কার মানুষ মনে করতেন, মিলনের সময় নারীদের চিৎকার করা উচিত নয়।

৩. প্রাচীন যুগে মিশর ও মধ্য-প্রাচ্যে অবিবাহিত নারীদের পতিতাবৃত্তি করতে হত। সেই সময় নিয়মই ছিল, কুমারী নারীদের প্রকাশ্য স্থানে দাঁড়িয়ে নিজেদের দেহ বিক্রির জন্য আহ্বান করতে হতো। উঁচু বা নিচু জাত নয়, প্রায় প্রতিটি নারিকেই সে সময় অচেনা ব্যক্তিদের সঙ্গে মিলিত হতে হত বিয়ের আগে। এটাই ছিল রেওয়াজ।

৪. ১৮৮৮-তে, বিদেশে আঁটসাঁট ‘করসেট’ পোশাক পরার উপকারিতা প্রকাশিত হয় একটি সেক্স গাইড বুকে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, করসেটের মতো আঁটসাঁট পোশাক শরীরে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। আর তার ফলেই নাকি নারীরা চরম উত্তেজিত হয়ে ওঠেন বলে প্রচারিত হত। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত বলে পরে গবেষকরা দাবি করেন।

৫. সেক্স টয় শুধুই আধুনিক সময়ে ব্যবহৃত হয় সেটি নয়, প্রায় ২৬ হাজার বছর আগেও পাথরের তৈরি সেক্স টয়ের খোঁজ মিলেছে। মিশরীয়রা ওই সব টয় ব্যবহার করতেন বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

৬. ১৯০০-তে প্রকাশিত একটি বইতে উল্লেখ করা হয়, যে কোনও দম্পতি যেন মাসে চারবারের বেশি যেন মিলিত না হন। অন্যথায়, উভয়ের শরীরেরই ক্ষতি হবে।


মন্তব্য