ঢাকা - ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮ : ১০ ফাল্গুন, ১৪২৪

‘ত্রিশ বছরের মধ্যেই ছাড়তে হবে পৃথিবী, চাঁদ আর মঙ্গলই হবে নেক্সট ডেস্টিনেশন’

নিউজ ডেস্ক
জুন ২৩, ২০১৭ ১৪:৪৯
‘আমি নিশ্চিত আগামী ৩০ বছরের মধ্যেই ছাড়তে হবে পৃথিবী। চাঁদ অথবা মঙ্গলে গড়তে হবে সভ্যতা। এখানে টিকে থাকার জন্য যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ দরকার, তা খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে আসছে উদ্বেগজনক হারে। ধ্বংস অনিবার্য পৃথিবীর! চাঁদ আর মঙ্গলই হবে আমাদের ‘নেক্সট ডেস্টিনেশন’! যদি মহাকাশে থাকার জায়গা খুঁজে না পাওয়া যায় তবে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’ সম্প্রতি নরওয়ের ট্রুন্ডহিমে স্টারমাস সায়েন্স ফেস্টিভ্যালে পদার্থবিদ ও কসমোলজিস্ট স্টিফেন হকিং এসব কথা বলেছেন।

হকিং বলেছেন, ‘পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আর খুব বেশি দেরি নেই। আমাদের এই গ্রহের খুব কাছে থাকা (নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট) গ্রহাণু বা অ্যাস্টারয়েড একের পর এক আছড়ে পড়তে চলেছে পৃথিবীর ওপর। এই পৃথিবীটাকে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার রাস্তাগুলো আমরাই এতদিন ধরে তৈরি করেছি। পৃথিবীর ‘জ্বর’ বাড়ছে লাফিয়ে। দুই মেরুর বরফ গলে যাচ্ছে অসম্ভব দ্রুত হারে। বসতি গড়তে যথেচ্ছ বন কেটে ‘নির্বংশ’ করছি গাছপালা। তাতে হইহই করে ভেঙে পড়ছে ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র। বহু প্রজাতির প্রাণী হারিয়ে যাচ্ছে। বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বহু প্রজাতির উদ্ভিদ। এটা কোনো সায়েন্স ফিকশন নয়। সায়েন্স ফ্যাক্টস বা বৈজ্ঞানিক সত্য। পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম ও সূত্র সেটাই বলছে।’

হকিংয়ের মতে, ‘প্রথমে যেতে হবে চাঁদে। তার পর ‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলে। টার্গেট রাখতে হবে যাতে ৩০ বছরের মধ্যেই চাঁদে গড়ে তোলা যায় সভ্যতার পরবর্তী উপনিবেশ। আর ৫০ বছরের মধ্যেই উপনিবেশ গড়ে তুলতে হবে, তুলতেই হবে মঙ্গলে। ওই দুই ভিন জগতে গিয়ে আমাদের নতুন করে ইকো সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, সব প্রাণী, উদ্ভিদ, ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা, শৈবাল, ছত্রাক, পতঙ্গদের নিয়ে।’


মন্তব্য