ঢাকা - এপ্রিল ২৫, ২০১৮ : ১১ বৈশাখ, ১৪২৫

অনিশ্চয়তায় ১৪ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা

নিউজ ডেস্ক
জানুয়ারি ০৪, ২০১৭ ১৫:৪৮
কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পের মেয়াদ গেল বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ায় চাকরির অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)। বেতন-ভাতা বন্ধ থাকায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তারা। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ ও চাকরি জাতীয়করণ না হওয়াসহ নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ইতিমধ্যে চার শতাধিক কর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, অনেকে ছাড়ার পথে, ২১ জন মারা গেছেন। যারা আছেন তারা মানসিক দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অবিলম্বে তাদের চাকরি জাতীয়করণ না হলে শুধু ভবনসর্বস্ব হয়ে পড়তে পারে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প।

সূত্র জানায়, প্রকল্প অফিস থেকে বলা হয়েছিল ২০১৫ সালের জুলাই মাসে চাকরি জাতীয়করণ করা হবে। সিএইচসিপি পদে কর্মরতদের নিয়োগবিধিতে কোনো ছুটি নেই। ফলে কেউ যদি অসুস্থ বা দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে অনুপস্থিত থাকে তাহলে তাদের বেতন কাটা হয়। বর্তমানে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও আগামীতে প্রকল্প চলবে না বন্ধ হয়ে যাবে সে বিষয়ও অজানা। এভাবে চলতে থাকলে স্বল্প সময়ে সিএইচসিপিদের বড় অংশ চাকরি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাবে । ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গ্রামীণ মানুষের হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি গরিব মানুষ সেবা গ্রহণ করেন। কমিউনিটি ক্লিনিকে সার্বিক প্রজনন স্বাস্থ্য পরিচর্যার আওতায় অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের প্রসব-পূর্ব (প্রতিষেধক টিকাদান) এবং প্রসব-পরবর্তী (নবজাতকের সেবাসহ) সেবা প্রদান করা হয়। সময় মতো প্রতিষেধক টিকা দানসহ (যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কফ, পোলিও, ধনুষ্টঙ্কার, হাম, হেপাটাইটিস-বি, নিউমোনিয়া, ইত্যাদি) শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে।

বাংলাদেশ২৪অনলাইন/ডেস্ক


মন্তব্য